jillbdt-এর রিওয়ার্ড সিস্টেমে শুধু খেলা নয়, প্রতিটি কার্যক্রমে পয়েন্ট পাওয়া যায়। পয়েন্ট জমিয়ে VIP স্তর উন্নত করুন, ক্যাশব্যাক পান এবং এক্সক্লুসিভ উপহার নিন।
বেশিরভাগ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বোনাস মানে হয় নিবন্ধনের সময় একটু কিছু পাওয়া, তারপর আর কিছু নেই। jillbdt-এ বিষয়টা একদম উল্টো। এখানে আপনি যত বেশি সময় থাকবেন, তত বেশি পুরস্কার পাবেন। প্রোগ্রামটা পাঁচটি ধাপে সাজানো — Bronze থেকে শুরু হয়ে Diamond পর্যন্ত। প্রতিটি ধাপে সুবিধার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।
পয়েন্ট সিস্টেমটা বোঝার জন্য বেশি মাথা খাটাতে হয় না। প্রতিটি বাজিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পয়েন্ট যোগ হয়। গেমের ধরন অনুযায়ী পয়েন্টের হার আলাদা — স্পোর্টস বেটিংয়ে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট, কারণ এই ক্যাটাগরিতে দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আপনার পয়েন্ট ব্যালেন্স সব সময় ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক সম্পর্কে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে — এটা কি আসলেই সপ্তাহের লোকসান ফেরত দেয়? হ্যাঁ, ঠিক তাই। সপ্তাহে যদি আপনার নেট লোকসান ৳১,০০০ হয় এবং আপনি Gold স্তরে থাকেন, তাহলে পরের সোমবার ৳১০০ সরাসরি ব্যালেন্সে ফিরে আসবে। Diamond স্তরে এই পরিমাণ ৳২০০ হতো। ক্যাশব্যাকে কোনো ওয়েজারিং শর্ত নেই — সরাসরি তুলে নেওয়া যায়।
মাসিক টুর্নামেন্ট হচ্ছে jillbdt-এর পুরস্কার প্রোগ্রামের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অংশ। প্রতি মাসে সব নিবন্ধিত সদস্য এতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অংশ নেন। পয়েন্টের ভিত্তিতে লিডারবোর্ড আপডেট হয়, এবং মাস শেষে শীর্ষ ১০ জন নগদ পুরস্কার পান। প্রথম স্থানে ৳৫০,০০০ — এটা কোনো ছোট অঙ্ক নয়।
জন্মদিনের পুরস্কারটা jillbdt-এর একটি বিশেষ ছোঁয়া। অ্যাকাউন্টে জন্মতারিখ দেওয়া থাকলে জন্মদিনের দিন বা কাছাকাছি সময়ে একটি বিশেষ বোনাস এবং ফ্রি বেট পাওয়া যায়। Platinum ও Diamond সদস্যদের জন্য এই উপহার আরও মূল্যবান।
রেফারেল প্রোগ্রামটা অনেকেই কম মূল্যায়ন করেন। কিন্তু হিসাব করলে দেখা যায়, ১০ জন বন্ধুকে রেফার করলে ৳৫,০০০ রিওয়ার্ড পাওয়া যায় — তাও ২০০ পয়েন্ট করে। আর বন্ধুরা যদি নিয়মিত খেলেন, তাহলে চলমান কমিশনও আসে।
প্রোগ্রামে থাকার আরেকটা সুবিধা হলো ধীরে ধীরে স্তর উন্নত হওয়া। একবার Gold হলে Silver-এ নামিয়ে দেওয়া হয় না — প্রতি মাসে ন্যূনতম কার্যক্রম বজায় রাখলে স্তর ধরে রাখা যায়। jillbdt মনে করে নিয়মিত খেলোয়াড়দের পুরস্কার দেওয়া উচিত, শাস্তি নয়।
লিডারবোর্ড প্রতি ২৪ ঘণ্টায় আপডেট হয়। মাসের শেষ দিন রাত ১১:৫৯ মিনিটে চূড়ান্ত র্যাংকিং নির্ধারণ হয়।
jillbdt ডেসিমাল ফরম্যাটে অডস দেখায়, যেটা বুঝতে সবচেয়ে সহজ। হিসাবটা এভাবে কাজ করে:
জয়ের পরিমাণ = বাজি × অডস
ধরুন অডস ১.৫ — মানে ৳১০০ বাজি ধরলে জিতলে ৳১৫০ পাবেন (৳৫০ লাভ)। অডস ২.০ মানে ৳১০০ বাজিতে ৳২০০ পাবেন (৳১০০ লাভ)। অডস ১.৫০-এর নিচে হলে "ফেভারিট" দল বা খেলোয়াড়, আর ২.০ বা তার বেশি হলে "আন্ডারডগ"। অডস যত বেশি, জেতার সম্ভাবনা তত কম — কিন্তু জিতলে লাভও বেশি। সাধারণত ১.৯ মানে প্রায় ৫০/৫০ সম্ভাবনা।
এটাকে অ্যাকুমুলেটর বা মাল্টি-বেট বলে — jillbdt-এ এটা "কম্বো বেট" নামেও পরিচিত। কাজটা এভাবে হয়: আপনি ৩টি ম্যাচ বেছে নিলেন এবং তিনটিতেই আলাদা অডস আছে — ধরুন ১.৮, ২.০ এবং ১.৫। সব মিলিয়ে অডস হবে ১.৮ × ২.০ × ১.৫ = ৫.৪। মানে ৳১০০ বাজিতে সব ঠিক হলে পাবেন ৳৫৪০।
ঝুঁকিটা হলো — একটি ম্যাচেও ভুল হলে পুরো বাজি যাবে। তাই অ্যাকুমুলেটরে বড় জয়ের সুযোগ থাকলেও ঝুঁকি বেশি। শুরুতে ২-৩টির বেশি ম্যাচ একসাথে না জোড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
jillbdt-এ নিবন্ধন করুন, প্রথম ডিপোজিটে ৫০০ বোনাস পয়েন্ট পান এবং Bronze থেকে Diamond-এর পথে যাত্রা শুরু করুন।